সময়ের হিসাব। Time calculation & শাস্তি - Punishment | কোরিয়ান মেয়ে | Korean Girl


 
#শাস্তি
#লেখনীতেঃ তাসনিম_এমি

আমি প্রেগন্যান্ট আসাদ।তুমি প্লিজ আমার সাথে এখন দেখা করো।আমি তোমাকে ম্যাসেজে ঠিকানা দিচ্ছি।আচ্ছা রাখছি।ফোন রেখে ওই দূর আকাশে তাকিয়ে আছি,আর ভাবছি কি থেকে কি হয়ে গেল, আচ্ছা আসাদ কি আসবে? ও কি আমাকে মেনে নিবে?
 
না কি সব ভাবছি, কেন মানবে না! আমি তো অন্যকারো সাথে এসব করি নি, যার সাথে দুটো' দিন পর বিয়ে হবে তার সাথেই তো।আসাদই তো আমাকে জোর করেছে।এসব ভাবনার মাঝেই কে জানি আমার ঘাড়ে হাত রাখলো, তাকিয়ে দেখি আসাদ। ওকে দেখেই আমি জড়িয়ে ধরতে যাব, কিন্তু ও আমাকে দূূরে সরিয়ে দিল।
 
এসব কি মেহরীমা? তুমি প্রেগন্যান্ট কবে, কিভাবে? তুমি জানো, তুৃমি আমাকে আজ কি উপহার দিয়েছো! আই লাভ ইউ মেহরীমা। 
 
আমি অবাক হয়ে গেছি। তারমানে আসাদ শুধু আমাকেই চায়, আমিও ওকে জড়িয়ে ধরলাম।
আচ্ছা শুন তুমি তো কোনো চেকআপ করাও নাই, আর কালকে তোমাকে চেকআপ করাতে নিয়ে যাব হসপিটালে কেমন। এখন বাসায় গিয়ে রেস্ট নাও, আর হ্যাঁ কাউকে কিছু বল না, কালকে বলব সবাইকে, বলে কপালে একটা চুমু দিলো।
 
আমিও আসাদের কথামত কাউকে কিছু বললাম না বাসায়।
পরেরদিন হসপিটালে আমি আর আসাদ পাশাপাশি বসে আছি একজন ডাক্তারের সামনে।
তো মিস্টার আসাদ আপনি যা করছেন ভেবে করছেন তো? পরে কিন্তু এর দায়ভার আমরা নিব না মনে রাখবেন। নার্স উনার ওয়াইফকে নিয়ে যাও চেকআপ রুমে।
 
আমি আসাদের হাত শক্ত করে ধরে আছি, কি বলছে ডাক্তার কিসের দায়ভার, আমি কিছু বুঝতে পারছি না, বল না।আর আমাদের তো এখনও বিয়ে হয় নি আসাদ।
 
আরে মেহরীমা ডাক্তারকে একটু মিথ্যে বলতে হল আর কি, দায়ভার এর কথাটা এই জন্য বললেন যে তোমাকে আর আমাদের অনাগত বাচ্চাকে চিকিৎসা দিবে, সেখানে তুমি যদি ব্যাথা পাও সেটার কথা বলছেন বুঝলে।
 
তারপর আমি নার্সের সাথে চলে গেলাম। নার্স আমাকে একটা রুমে নিয়ে পানি খেতে দিল আমি চুপচাপ সেটা খেয়ে নিলাম,তারপর আর কিছু মনে নেই।যখন আমার ঘুম ভাঙলো তখন তাকিয়ে দেখি হসপিটালের বিছানায় শুয়ে আছি হাতে স্যালাইন লাগানো, নিজেকে বড্ড দুর্বল লাগছে, তাও উঠলাম আশেপাশে তাকিয়ে দেখি কোথাও আসাদ নেই। তখনই একজন নার্স আসলো। 
 
ওহ আপনার জ্ঞান ফিরেছে, তা এখন কেমন লাগছে আপনার? শুনুন বাসায় গিয়ে ফুল রেস্টে থাকবেন একমাস। আর আপাতত আপনি শারীরিক সম্পর্ক থেকে কিছুটা দূরে থাকবেন, একবার অ্যাবর্শন করিয়েছেন, পরের বারও এরকম করলে রিস্ক হবে আপনার।
 
আমি নার্সের কথা শুনে স্তব্ধ, অ্যাবর্শন করিয়েছি মানে! 
তখনই আসাদের ফোন থেকে মেসেজ আসলো।
 
স্যরি মেহরীমা, এই বাচ্চাটা বাচিয়ে রাখা আমার জন্য সম্ভব নয়, তাই নষ্ট করালাম তোমাকে না জানিয়ে। তোমাকে বিয়ে করাও আমার পক্ষে সম্ভব নয় কারণ আমি ইউজ করা জিনিস ব্যবহার করিনা। তুমি তো অলরেডি ইউজ হয়ে গেছো। আর বিয়ের আগে বাচ্চাটা বেমানান তাই এই কাজ করা। হালকা অভিনয় করতে হল তোমার সাথে, কিন্তু কিছু করার নেই। নিজের জন্য হলেও তো করতে হয় তাই না বল।
মেসেজ টা পরে আমি স্তব্ধ হয়ে আছি কিছু বলার মত অবশিষ্ট কিছুই নেই। ফোনটা হাতে নিয়ে কয়েবার আসাদের ফোনে ট্রাই করলাম। কিন্তু ওপাশ থেকে ফোন রিসিভ হল না।
 
একসপ্তাহ পর,
আবারো আসাদের ফোনে কল দিচ্ছি, কিন্তু কেউ ধরছে না। অবশেষে চারবারের মাথায় ওর ফোন রিসিভ করলো সাথে সাথেই আমি বললাম,
প্লিজ আসাদ কল টা কেটো না, প্লিজ একটা বার আমার সাথে দেখা করো, শুধু একবার,তারপর তুমি চলে যেও, আমি তোমাকে আটকাবো না কথা দিচ্ছি।আচ্ছা আমি ঠিকানা দিচ্ছি তুমি আসো।
তারপর আমি ওকে ঠিকানা টা ম্যাসেজ করে দিলাম।
 
আমি আর আসাদ মুখোমুখি বসে আছি, নিরবতা ভেঙে আমি বললাম,খুব প্রয়োজন ছিল আমার সাথে এরকম করার? যখন রুম ডেট করার জন্য বার বার আমাকে প্রেশার দিচ্ছিলে তখন কি বলছিলে মনে আছে? তুমি আমাকে ভালোবাসো।আমরা তো অন্য কারো সাথে করছি না দু'দিন পর আমাদের বিয়ে। একবার ডেট করলে কিছু হবে না। আর আমি বোকার মত তোমার সব কথা শুনে গেলাম, কি হল দিনশেষে! আমি ইউজড করা, একবার ব্যবহার করা জিনিস তুমি আর ব্যবহার করো না, তাই না?কিন্তু এখন যা হবে তার জন্য আমি দায়ী না আসাদ। তোমাকে খুব বিশ্বাস করেছিলাম, খুব বলেই আসাদকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে ওর ঘারে একটা ইনজেকশন পুশ করে দিলাম। 
 
মাথাটা খুব ভারি লাগছে, কোনোমতে তাকিয়ে চোখ মেলে নিজেকে হসপিটালে দেখে অবাক হয়ে গেল আসাদ। আমি তো মেহরিমার সাথে দেখা করতে গেছিলাম, তাহলে হসপিটাল আসলাম কিভাবে? সব কিছু মনে করার চেষ্টা করতেই মনে পড়ে গেল, মেহরিমা আমাকে একটা ইনজেকশন পুশ করেছিল।আমি একটু নিচের দিকে তাকিয়ে দেখি আমার পুরুষাঙ্গে ব্যান্ডেজ করা, আমি আৎকে উঠলাম আর চিৎকার করতে লাগলাম তখন একজন ডাক্তার আমার সামনে এসে বলা শুরু করলো,
 
দেখুন মিস্টার আমরা আপনাকে রাস্তায় অজ্ঞান অবস্থায় পেয়েছি। কেউ আপনার পুরুষাঙ্গে খুব বাজে ভাবে আঘাত করেছে। শুধু যে আঘাত করেছে তা নয়, কেউ ইচ্ছে করে এই কাজ করছে। আপনার পুরুষাঙ্গে একটা সুচ ও ঢুকিয়ে দিয়েছে। এখন সুচ টা বের করতে হল আপনার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলতে হবে যা আপনার জন্য বিপদজনক খুব। আমরা আপনাকে বেস্ট চিকিৎসা দিয়েছি। আপনার পরিবার বাহিরে আছে দরকার হলে ডাকবেন।
 
ডাক্তার কথাগুলো বলার সময় আমার চোখ উপচে পানি পড়ছে তখনই মেহরিমার ফোন থেকে মেসেজ আসলো,
 
তোমাকে বিশ্বাস করছিলাম তার মূল্য তুমি দেখিয়ে দিলে। ভালো থাকো, আর হ্যা বিয়ে টা ভেঙে দিয়েছি যে ছেলের কোনো ক্ষমতা নেই অক্ষম সেই ছেলের কাছে কে কার মেয়ে বিয়ে দিবে বলো? তার মধ্যে তুমি তো সেরা বেইমান, আর বেইমানকে 
 
তো বিয়ে করা যায় না।শাস্তি বড্ড ভয়ংকর হয় মিস্টার আসাদ।ইচ্ছে ছিল তোমাকে নিজ হাতে শাস্তি দেই, কিন্তু আফসোস ঘৃণা করি তোমাকে, আমি সেখানে তোমার মত ঘৃণিত ব্যক্তিকে ছোঁয়ে শাস্তি কিভাবে দেই বল? তাই হিজরা ভাড়া করে শাস্তি দিলাম। থাকো এখন নিজের মত করে।
 

====== =========== =========== ============== ================ ============

সময়ের হিসাব। Time calculation.

 আমার শ্বাশুড়ি আমার ঘরে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা পা ভেঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকলেও আমি কখনো বসতে বলতাম না।

 
উনি দু'দিন পর পরই কিছু না কিছু চাইতে আমাদের ঘরে আসতেন। আমিও বেশ পটু মেয়েই ছিলাম। কান খাড়া করে রান্নাঘর থেকে মা ছেলের কথা শুনতাম। যখনই কিছু চাওয়ার উদ্দেশ্যে উনি মুখ খুলতেন আমি সেই মুহুর্তে ওই ঘরে হাজির হতাম। আর আমায় দেখে আমার শ্বাশুড়ি কিছুটা ইতস্তবোধ করতে করতে ছেলের কাছ থেকে চলে যেতেন।
দিন ঘুরে ফিরে আমারও এসেছে। যা যা আমি করেছিলাম তার সবকিছুই খুব যত্ন করে আমার ছেলের বউটাও আমার সাথে করে।
 
এইতো ঘন্টা খানেক পূর্বে ছেলে এসেছিলো আমার ঘরে। ঔষধের বক্সগুলো খুলে খুলে দেখে গেলো কোনটা কতদিনের আছে। নতুন করে আরও আনতে হবে কি না। আমি তখন রাতের খাবার খাচ্ছিলাম। ছেলে রাতে ভাত খেতে দেখে বললো,
- মা তোমার ডায়াবেটিস আবার বেড়েছে। রাতে ভাত খাওয়া কি ঠিক হচ্ছে?
আমি মাথা নিচু করে একনাগাড়ে খেয়েই যাচ্ছি। পাশের ঘর থেকে ছেলের বউ দৌঁড়ে এসে চেঁচাতে চেঁচাতে বললো,
 
- ওহ যেই আপনার ছেলে আপনার ঘরে ঢুকলো ওমনি আমার বদনাম করা শুরু করে দিলেন?
এই নিয়েই ছেলের সাথে তার ঝগড়া শুরু হয়ে গেলো। আমি দরজাটা লাগিয়ে শুয়ে পড়লাম। ওদের ঘর থেকে স্পষ্ট ঝগড়ার আওয়াজ ভেসে আসছে। ঝগড়ার এক পর্যায়ে আমার ছেলেকে ছেলের বউ গালি দেওয়াতে তৎক্ষনাৎ ছেলে বউয়ের গালে ঠাস করে একটা থাপ্পর লাগিয়ে দিলো।
 
মনে পড়ে আমার স্বামীর সাথে তার বোনদের বাড়িতে হাজার টাকার বাজার করে নিয়ে যাওয়াতে আমি তুমুল ঝগড়া শুরু করে দেই। সেই ঝগড়া রুপ নেয় মারাত্মকে। কথা কাটাকাটির মাঝখানে আমি আমার স্বামীকে মুখে যা নয় তাই বলে বকাবাজি করি। সে পরদিন সকালেই আমায় বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। দুই সপ্তাহ পর আবার আমার বাবা এসে রেখে যান।
 
এইতো গত শুক্রবারে আমার ময়লা কাপড়টা বাথরুমের বালতিতে রাখা দেখে দরজা লাগিয়ে দিয়ে হাজারটা কথা শুনিয়ে আমার ছেলের বউ কাপড়টা পরিষ্কার করে দিলো।
 
তাও ভালো সে পরিস্কার করেছিলো। আর আমিতো শ্বাশুড়ি বিছানায় পড়ার পর কাজের লোক রেখে দিয়েছিলাম নোংরা কাপড় ধোয়ার জন্য। আর মাসে উনার দুই মেয়ে দুইবার করে আসতো। আর তখন তারাই তাদের মা'কে গোসল থেকে শুরু করে সবকিছু নিজের হাতে করিয়ে দিতো।
একদিন তো শ্বাশুড়িকে দেখতে আমার ছোটো ননদ আর তার জামাই আসে৷ আমার স্বামী বোন জামাইকে দেখে এক কেজি গরুর গোস্তো, আর একটা আড়াই কেজি ওজনের ব্রয়লার মুরগি এনেছিলো। আমি তাতেই বাড়ি মাথায় তুলে স্বামীর সাথে যুদ্ধ বাধিয়েছিলাম।
 
অথচ আমার বাবার বাড়ি থেকে কেউ আসলে দশপদের রান্না করতাম আগুনে শরীর পুড়িয়ে। তাও কি যে তৃপ্তি লাগতো তাদের খাইয়ে সেসব বলার বাইরে।
 
বালিশটা দেখছি ভিজে একাকার। আর কেঁদেই বা কি হবে?
বয়সতো শেষ এখনকেঁদেতো কোনো লাভ নেই আমার। সময়টা যে চলে গেছে। যা দিয়েছিলাম সময়কে আজ তা কড়াই-গন্ডাই হিসেব করে ফিরিয়ে দিচ্ছে। প্রাপ্য ছিলো যে এই সবকিছুই আমার।
আমরা নারীরা নাকি মায়ের জাত৷ অথচ আমাদের মায়ের জাতটার সবচেয়ে বড় দোষ হলো আমরা নারীরা নিজেরাই নিজেদের পরম শত্রু৷ সেদিন ছেলের বউ ছিলাম বলে ভুলে গিয়েছিলাম শ্বাশুড়ি হওয়ার কথা। আজ শ্বাশুড়ি হয়ে এত নীতি কথার ফুলঝুরি আমার মতো নারীর মুখেতো অশোভনীয়।
বড্ড বেশি শ্বাশুড়ি মায়ের মুখটা চোখের সামনে ভেসে উঠছে।
 
বয়সে ভাঁজ পড়া গাল, আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা ছলছল করা দুটো চোখ, মাড়ির দাঁত ছাড়া মুখটা বিড় বিড় করে কালেমা পাঠ করছেন। খানিকপর চোখদুটো বুজে এলেন উনার। আমার ননদরা চিৎকার করে উঠলো। পাশে বসা আমার স্বামী ডুকরে কেঁদে উঠলো। দুই ফোঁটা জল আমার চোখ থেকে গড়িয়ে শ্বাশুড়ি মা'র ডান হাতের তালুতে পড়লো।
 
আচ্ছা আমার এই চোখের জলটা কিসের ছিলো? উনাকে চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেলার? নাকি উনার কাছ থেকে ক্ষমা না চাওয়ার?
==================== == ================= =================
কোরিয়ান একটি মেয়ে আপনার প্রেমে পড়লো কিন্তু আপনি শুধুমাত্র আপনার ধর্ম,দেশ এবং পরিবারের জন্য তাকে ফিরিয়ে দিলেন। এটা কি সম্ভব? কোরিয়াতে জীবনের সুখ খুজতে যাওয়া বাংলাদেশি ছেলে করিম এবং তার কোরিয়ান বান্ধবীর গল্প নিয়েই বানানো হয়েছে কোরিয়ান মুভি " Bandhobi "

Movie: " Bandhobi - বান্ধবী "
Director : Shin Dong
Cast : Mahbub Alam Pollob,Beak jin hee Etc
Country : South Korea
Genre : Drama

অনেক তো আমেরিকাতে গিয়ে ইন্ডিয়ান কালচার শিখিয়ে আসা ভারতীয় নায়কদের ভারতীয় মুভি দেখলেন। এবার এক বাংলাদেশি ছেলের কোরিয়াতে কোরিয়ান মেয়েকে বাংলাদেশি খাবার এবং বিশুদ্ধ ভালোবাসা শিখিয়ে দিয়ে আসা মুভি দেখুন।

মুভিতে এক ফোটা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক নেই তাই হয়তো আপনার কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগতে পারে কিন্তু গল্পটা আপনি নিজের সাথে রিলেট করতে পারবেন। এই মুভিতে বর্ন বৈষম্য খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সবচাইতে অবাক লেগেছে মুভিটির ডিরেক্টর একজন কোরিয়ান।

মুভিতে করিমের বাংলায় কথা বলাটা খুব প্রশান্তি দিয়েছে। যদি আপনার হাতে সময় থাকে তাহলে দেখে নিতে পারেন ১০৭ মিনিটের এই কোরিয়ান মুভিটি। " Bandhobi " আহামরি কিছু না কিন্তু দারুণ কিছু। হিন্দি ডাব নারিকেল চেয়ে লজ্জা দিবেন না। বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে দেখে ফেলতে পারেন মুভিটি।
(২টা আপত্তিকর দৃশ্য রয়েছে। তবে খুবই সামান্য। পরিবার নিয়ে দেখার ক্ষেত্রে সেগুলো এড়িয়ে যাবেন)

ব্যাক্তিগত রেটিং ৭/১০


Next Post Previous Post