Sotto Ghotona - Forget Master | Mosharraf Karim | Tania Brishty | ফরগেট মাস্টার | Eid Natok | Bangla Natok

 
ছোট একমাত্র চাচাতো বোনটার সাথে দীর্ঘদিন পারিবারিক ঝামেলার জন্য কথা হয়না,,,
একদিন কোত্থেকে এসে, পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো,,চোখ ধরে বলল
আহ্লাদী সুরে বলো তো কে?
 
আমি সেদিন চিনেছিলাম ঠিকি আমার একমাত্র বোন,
কিন্তু অভিমানী সুরে বলেছিলাম,কে এভাবে রাস্তায় চোখ ধরে রেখেছে,,,
বোনটা মুখ গোমরা করে বলল,আমার বুবু আমাকে চিনেনা,অনেক বড়লোক হয়ে গিয়েছে,,,,
যাক আর অভিমান না করে চোট করে বললাম তোর অনেক বোন থাকলেও আমার আপন বোন একটাই,,,,
যাক ভালো মন্দ কথা সেরে বললাম বাসায় আসিস,,,,,
একদিন বাসায় এসেছে হুট করে, বলল আসতে পারি বললাম হটাৎ আমার বাসায়,রাস্তা ভুল করে নাকি,,,অনেক অভিমান জমা ছিলো, এতো মেসেজে বলতাম আসতে আসতো না, বাবু হওয়ার ৬ মাস পর এসেছে,,, 
 
বললাম কেনো আসছে, বাবুকে কোলে নিয়ে বলল আমার ভাগিনাকে দেখতে,,,,,
হালকা পাতলা নাস্তা দিলাম,,, খাচ্ছে আর বলছে এতো মোটা হইছো কেনো,,,
আমার সুন্দরী আপুকে এখন ভটকি লাগতাছে, দুলাভাই বলেনা মোটকি,,,,
আমি বললাম ভাত খেয়ে যাস পক পক কম কর,,,,,
সে যে কতো কথা,,,
 
বোনেরা একজায়গায় হলে কথার শেষ হয়না,,,,
আহ ছোট বেলায় আসতো,,
বুবু বলে ডাকতো কি আহ্লাদী ডাক,,
আমাকে মেহেদী দিয়ে দেও,আমাকে সাজিয়ে দেও,,,,
সেই দূর থেকে চলে আসতো অংকটা বুঝায় দেও,,,
পড়াশোনায় মেধাবী ছিলো,,,,
সারাক্ষণ আমার সাথে নিজেকে মেলাবে,আমাকে দেখলে যে কেও বলবে তোমার বোন,,শুধু তোমার চোখগুলো বেশি ছোট,আমার গুলো বড়ো,,,,
একবার চাচার সাথে দাদার মনোমালিন্য, আব্বু ও চাচাদের সাথে কথা বলবেনা,আমদেরও নিষেধ করেছে,,,
 
তবুও কোচিংয়ের ছুটিরপর চলে গিয়েছি তার কাছে,,,,
প্রথম যখন তাকে নিয়ে চিরিয়াখানায় যাই,,,,
তখন সে ৫ বছরের ,, একটা ঘোড়া দেখিয়ে বলছে, এটা ঘোড়া তাইনা,,,,বললাম হ্যা,কিছুক্ষণ পর আরেকটা ঘোড়া দেখিয়ে বলছে আপু এটাকি হ,,,,,র্স!!!
হর্স আর ঘোড়াকি দুই ভাই,,,,, দেখতে একি লাগে,,,,,
আহ কতো কতো স্মৃতি তার,সবসময় স্কুলে প্রথম পুর্ষকার পেয়েছে,,,পড়াশোনা, নাচে,অভিনয়ে।
অনেক ভালোবাসতাম অনেক বেশি,পারিবারিক ঝামেলা অনেক দূরত্ব তৈরী করে ফেলেছিলো,,,,,
মেসেঞ্জারে কেমন আছো, ভালো আছি পর্যন্ত কথা সীমাবদ্ধ,,,,,,
আজ তার চলে যাওয়ার ৪০ দিন পূর্ণ হলো,,,,,,,
বুকের ভেতর শান্তি লাগছে না,,,
আমার ছোট্ট বোনটা বড় অভিমান করে চলে গেলো,,,
আজ বোনটা নেই বলেই কি এতো কষ্ট লাগছে তার জন্য
বুকের ভেতর ব্যথা হচ্ছে,,,,, 
 
কেনো আপন মানুষগুলো বেঁচে থাকতে মূল্য করিনা,,,,
কারন আমরা এখন social,,
আমাদের মেসেঞ্জারটা খুললেই বন্ধুর শেষ নেই,কথা বলার লোকের অভাব নেই,,,,
তাই তো আপনজনের অভিমান ভাঙানোর সময় নেই,,,,
মৃত লাশ বড়ো ভয় পেতাম আমি,,,
 
৪০ দিন আগে বোনের লাশটা বুকে জড়িয়ে মনে হচ্ছিল আমার বোন ঘুমাচ্ছিলো,,, সেইদিন সবাই সরিয়ে দিচ্ছিলো অথচ তাকে জড়িয়ে ধরার সাধ মিটছিলোনা আমার,,,
আমার বোনটাকে আমি আর পাবোনা,,,,
আল্লাহ যেনো কারো সম্পর্কে ফাটল ধরে ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করে,,,
আল্লাহ আমার বোনটার সকল গুনাহ মাফ করে, তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক,,,,,
 
--------------সুচনা আহমেদ--------------
======== =========== ============== ================ ===================
⛔সত্যি ঘটনা
লিখাঃ Adiba Ikram 
 
আজকে খুব ছোট একটি ঘটনা শেয়ার করবো,,
এটাও একটি গ্রামের ঘটনা,
গ্রামে এখনো ছোট বাচ্চাদের কে থাপ্পড় দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়।তারপর ডুবিয়ে মে ড়ে ফেলে,
এমন আমি অনেক দেখছি,শুনেছি, এখনো হয়,অনেক.......
 
ঘটনা ১
একবার আমাদের পাশের বাসার এক তিন বছরের বাচ্চা কে পানিতে ফেলে দিয়েছিলো।
অনেক খোজাখুজি করার পরে পুকুরের ঘাটে খুঁজতে থাকে,
আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে বাচ্চা টা কে পুকুর ঘাটেই পাওয়া যায়।
কিন্তু ততক্ষনে বাচ্চা টা আর বেঁচে নেই, না ফেরার দেশে চলে যায়।
বাচ্চা টা কে যখন পানির নিচ থেকে উঠানো হয়
তখন বাচ্চাটার বাম গালে পাঁচ টা আঙুলে ছাপ বসানো থাকে।
স্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছিলো। কেউ থাপ্পড় দিয়েছ।সবার আর বুঝতে বাকি নেই এটা কোনো দুষ্ট জ্বীরেই কাজ।
 
 
ঘটনা ২
এক বার আমার আব্বু গোসল করার জন্য পুকুরে নেমেছে,তখন বর্ষাকাল ছিলো, চারপাশে অথৈ পানি,
আব্বু পানিতে নামার পড়ে কিছু সময় হলো উনি আর উঠছে না,
আমাদের পাশের ঘাটের এক চাচাও গোসল করছিলো।
সে বিষয় টা খেয়াল করেছে,যে অনেক ক্ষন হয়ে গেলো কিন্তু আব্বু পানি থেকে উঠছেনা,
আমার চাচা সাঁতার কেটে আমাদের ঘাটে চলে আসে,যখনই আসে ঠিক তখনি আব্বু পানির নিচ থেকে ভেসে উঠে,
 
আবার ডুবে যাচ্ছে চাচা আব্বু ধরে উপড়ে তুলে,,
আব্বু অজ্ঞান হয়ে গেছে,পানি খেয়েছে কিছুটা,
পেট এ চাপ দিয়ে পানি বের করে,কিছুক্ষণ পরে আব্বুর জ্ঞান ফিরে।
সবাই তখন জানতে চাইলে
 
আব্বু বলেঃ আমি যখন পানিতে ডুব দিয়েছি ঠিক তখনই আমার ঘাড়ে চাপ দিয়ে ধরে,
পানির নিচে নিয়ে যাচ্ছে, একেবারে পানির নিচে মাটির সাথে মাথা টা কে চেপে ধরে রেখেছে।
আমি কিছুতেই উঠতে পারছিলাম না,
শরীরের সব শক্তি দিয়ে চেষ্টা করেছি তারপরও উপরে উঠতে পারছিলাম না।
কিছুক্ষণ পড়ে একটু জ্ঞান ছিলো আমার
বুঝতে পারছিলাম এটা ভালো কিছু নয়,
 
সাথে সাথে আমার আয়াতুলকুরসি মনে পড়ে গেলো, আমি কয়েকবার আয়াতুলকুরসি পড়েছি।
পড়ার পরে খেয়াল করলাম আমার ঘাড় টা ছেড়ে দিয়েছে। তখনই আমি পানির উপরে উঠতে পেরেছি।আর কিছু সময় পানির নিচে থাকলে আমি হয়তো ম ড়েই যেতাম।আল্লাহ পাকের লাখো শুকরিয়া।
আমি সেই থেকে গ্রাম এ গেলে কখনই আর পানিতে নেমে গোসল করিনা। খুব ভয় লাগে,,
তাই আপনারাও একটু সাবধানে গোসল করবেন যারা গ্রাম এ থাকেন,,
পানির নিচেও খারাপ শক্তি বিদ্যমান থাকে,
সবাই ভালো থাকবেন।।
 
আল্লাহ হাফেজ 😊

Next Post Previous Post