** Touch the gold water ** ছোট গল্প- সুশিক্ষা | Short Story: Good Education

https://www.facebook.com/login

ছোট গল্প- সুশিক্ষা
লেখক-রাহাত
 
 
এক পুত্র নিজের বৃদ্ধ পিতাকে রাতের খাবারের জন্য একটা রেস্টুরেন্ট নিয়ে গেল.
খাবার খাওয়ার সময় বৃদ্ধ পিতা অনেকবার খাবার নিজের কাপড়ে ফেলল. ওখানে বসে থাকা অন্য লোকেরা বৃদ্ধকে ঘৃণার নজরে দেখছিল.
কিন্তু বৃদ্ধের পুত্র শান্ত ছিল.
 
খাবার পর লজ্জা না পেয়ে পুত্র বাবাকে ওয়াশরুম নিয়ে গেলেন. বৃদ্ধের কাপড় পরিষ্কার করল, চেহারা পরিষ্কার করল, চিরুনি দিয়ে চুল আছড়ে চশমা পড়িয়ে বাইরে নিয়ে এলেন.
 
সবই চুপ করে ওদের দেখতে লাগল. পুত্র বিল দিয়ে বাবাকে নিয়ে বাইরে যাবার জন্য পা বাড়াল. তখনই খাবার রত অন্য এক বৃদ্ধ পুত্রকে বলল "তুমি কি কিছু ভুলে যাচ্ছ এখানে?"
পুত্র জবাব দিল "না জনাব, আমি এখানে কিছু ছেড়ে যাচ্ছি না". বৃদ্ধ বলল "" তুমি এখানে প্রত্যেক পুত্রের জন্য ছেড়ে যাচ্ছ একটা শিক্ষা আর প্রত্যেক পিতার জন্য আঁশা.""
 
সাধারণত আমরা বৃদ্ধ বাবা-মা কে বাইরে নিয়ে যেতে চাই না আর ধিক্কার দিই কি করবে ভাল করে চলাফেরা করতে পার না , ঠিক ভাবে খেতে পর না , তোমরা বাড়িতেই ঠিক.
আপনি কি ভুলে গেছেন আমরা যখন ছোট ছিলাম, বাবা-মা কোলে করে আমাদের নিয়ে যেত , নিজের হাতে খাইয়ে দিত আর খাবার পরে গেলে বকতেন না , ভালবাসতেন.
 
তাহলে বাবা-মা বয়স হয়ে গেলে বোঝা লাগে কেন??? বাবা-মা আমাদের জন্য স্রষ্টার দেওয়া উপহার, তাঁদের সেবা করুন , ভালবাসা দিন. কেননা একদিন সবাই বৃদ্ধ হবে.
 

সবাই লাইক ও কমেন্ট করে অনুপ্রাণিত করুন।
আমি নতুন লেখক তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
============ === ============ ============== ==============
প্রথম এসএসসি পরীক্ষা : 
 
যেই স্কুলে সিট পরছে , ওই খানে যাওয়ার রাস্তা একদম ছোট । ফলে সব গাড়ি এক সাথে হইয়া গেছে ,সামনে যাওয়ার উপায় নাই । রাস্তায় বৃষ্টির ফলে খুব এ খারাপ ড্রেনের পানি জমে আছে । রিকশা দিয়া যাওয়া যায় না ,তাই ওই খারাপ পানি পারাইয়া যাওয়া লাগছে । পরে যখন স্কুল এর ওয়াশরুম এ গেছি পা ধুইতে ,তখন দেখি ওয়াশরুম এ পানি নাই । কি আর বলবো ভাই । এক্সাম যখন শুরু হইসে তখনই কারেন্ট চলে গেছে । পুরা ২ ঘণ্টা একবার কারেন্ট যায় ,আবার আশে। স্কুল এর বেঞ্চ পর্যন্ত ভালো ছিল না । পিএসসি আর জেএসসি তে খুব ভালো জায়গায়ই এক্সাম দিসি। 
 
ঢাকা শহরে থাইক্কা , এমন পরিবেশে এক্সাম দিবো কখনো ভাবি নাই । আরো অনেক ভালো স্কুল থাকতে কেনো ওই রকম একটা জায়গায় আমাদের এক্সাম দিতে যাওয়া লাগছে ,এটা আমি জানি না ।
এটাই হয়তো ডিজিটাল বাংলাদেশ। আসলেই খুবই জঘন্য ভাবে পরীক্ষা দিতে গেছি ।
 
দক্ষিণ খান ঢাকা
হাজী বিলাত আলী স্কুল
লেখক: তানজিনা আক্তার তিশা
========== === ================ === ========== === ==========  
গল্পঃ লয়াল মেয়ে
porbo Ahmed
 
আমার প্রাক্তন প্রেমিকার স্বামী বিদেশে গিয়েছে। সেই সুবাদে প্রেমিকা রূপা দেখা করে বলছে, পর্ব আমি তোমার সাথে আবার রিলেশনে যেতে চাই। আমি কথাটা শুনে বুকের ডানপাশে হাত দিয়ে বললাম, মা মানে! রূপা চোখ নাচিয়ে বললো, এইভাবে থুতলাচ্ছো কেন পর্ব? তুমিকি আমাকে ভালোবাসো না? আমি একটু ইমোশনাল হয়ে বললাম, হ্যা হ্যা বাসিতো. কিন্তু! রূপা মুখ শক্ত করে বললো, কিন্তু কি?
তোমারতো বিয়ে হয়ে গিয়েছে রূপা।
 
রূপা দাঁতে দাঁত চেপে বললো, মানে? তুই আমাকে ভালোবাসিসনি? তুই আমার দেহকে ভালোবেসেছিলি? ছি পর্ব ছি! তুই এতো নিচুস্তরের মানুষ সেটা আমি আগে থেকেই জানতাম। কিন্তু এখন সরাসরি দেখে শিয়র হয়ে গেছি। আমি চুপ করে আছি। রূপা আমার দিকে তাকিয়ে বললো, আমি তোর প্রতি এখনো লয়াল আছি পর্ব। তুইই শুধু বদলে গিয়েছিস। 
 
দেখ তোরে আমি ভালোবাসি বলে স্বামী বিদেশে থাকার পরেও তর সাথে রিলেশনে যেতে চাচ্ছি। আর তুই! ছি ছি! আমি মাথা নিচু করে ফেসবুকে রূপার সাথে তার স্বামীর দেওয়া পোস্টগুলা দেখছি। আর হা হা দিচ্ছি। দুইজনেরই সেইম ক্যাপশন দেওয়া আমার প্রথম ভালোবাসা। 
 
রূপা মোবাইল হাতে নিয়েই আমার দিকে কটমট করে তাকিয়ে বললো, শা'লা বান্দরের বাচ্চা খান্দর। তুই আমার ছবিতে হাহা দিলি কেন? থাক তুই এইনে। আর আমার সাথে যোগাযোগ করিস না। আমি বাদাম ও বাদামের খোসা মুখে দিয়ে চিবাতে চিবাতে বললাম, আচ্ছা। 
 
কয়েকদিন পর আমার বন্ধু সাগর আমার সামনে এসে হেঁচকি তুলে তুলে চোখ মুছছে। আমি শান্তনা দিয়ে জানতে চাইলাম, ব্যাপার কি? সে বললো, পর্ব রূপার যে বিয়ে হয়ে গিয়েছে আজ আমি জানলাম। আমাদের দুই সপ্তাহের সম্পর্ক ছিলরে। সাগরের কথা শুনে আমার চোখে পানি এসে গেল। 
 
আমি বললাম, স্বামী বিদেশে যাওয়ার পরে তোকে আবার রিলেশনের যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলো? সে অবাক হয়ে বললো, তুই জানলি কেমনে? আমি চুপ থেকে গেলাম। কিছু কিছু জায়গায় চুপ থাকাটাই শ্রেয়।

Next Post Previous Post