তাবিজ ১ম পর্ব... | Amulet 1st Part | Gtv Live Part -01


 

GTV LIVE | জিটিভি লাইভ | Gazi TV Live | গাজী টিভি লাইভ | Live TV https://www.youtube.com/channel/UCXuHIkEezOy_b1pnkN0-TIg

কোরিয়ান একটি মেয়ে আপনার প্রেমে পড়লো কিন্তু আপনি শুধুমাত্র আপনার ধর্ম,দেশ এবং পরিবারের জন্য তাকে ফিরিয়ে দিলেন। এটা কি সম্ভব? কোরিয়াতে জীবনের সুখ খুজতে যাওয়া বাংলাদেশি ছেলে করিম এবং তার কোরিয়ান বান্ধবীর গল্প নিয়েই বানানো হয়েছে কোরিয়ান মুভি " Bandhobi "
Movie: " Bandhobi - বান্ধবী "
Director : Shin Dong
Cast : Mahbub Alam Pollob,Beak jin hee Etc
Country : South Korea
Genre : Drama
অনেক তো আমেরিকাতে গিয়ে ইন্ডিয়ান কালচার শিখিয়ে আসা ভারতীয় নায়কদের ভারতীয় মুভি দেখলেন। এবার এক বাংলাদেশি ছেলের কোরিয়াতে কোরিয়ান মেয়েকে বাংলাদেশি খাবার এবং বিশুদ্ধ ভালোবাসা শিখিয়ে দিয়ে আসা মুভি দেখুন।
 
মুভিতে এক ফোটা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক নেই তাই হয়তো আপনার কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগতে পারে কিন্তু গল্পটা আপনি নিজের সাথে রিলেট করতে পারবেন। এই মুভিতে বর্ন বৈষম্য খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সবচাইতে অবাক লেগেছে মুভিটির ডিরেক্টর একজন কোরিয়ান। 
 
মুভিতে করিমের বাংলায় কথা বলাটা খুব প্রশান্তি দিয়েছে। যদি আপনার হাতে সময় থাকে তাহলে দেখে নিতে পারেন ১০৭ মিনিটের এই কোরিয়ান মুভিটি। " Bandhobi " আহামরি কিছু না কিন্তু দারুণ কিছু। হিন্দি ডাব নারিকেল চেয়ে লজ্জা দিবেন না। বাংলা সাবটাইটেল দিয়ে দেখে ফেলতে পারেন মুভিটি।
(২টা আপত্তিকর দৃশ্য রয়েছে। তবে খুবই সামান্য। পরিবার নিয়ে দেখার ক্ষেত্রে সেগুলো এড়িয়ে যাবেন)
ব্যাক্তিগত রেটিং ৭/১০
💖

 ========= =========== =========== ============ ========== ==========

 তাবিজ_১ম_পর্ব...

Misk_Al_Maruf...

নিজের শাশুরীকে বশে আনার জন্য আস্তে করে তাবিজটা শাশুরীর বিছানার নিচে রেখেই দ্রুত পায়ে প্রস্থান করলো মিরা। শাশুরীর দরজার ঠিক কাছাকাছি আসতেই একটি ছায়া বেশ দ্রুততার সাথেই দরজার আড়াল থেকে সরে গেলো। মিরা বিষয়টি লক্ষ্য করা মাত্রই তাঁর বুকে এক তীক্ষ্ণ প্রকম্পন অনুভূত হলো। সে ভাবতে পারছে না ছায়াটা কার তবে তাঁর চিন্তার রেশ যেন এখনও কমেনি। 

কারণ কেউ যদি বুঝতে পারে যে সে তাঁর শাশুরী মাকে বশে আনার জন্য তাঁরই বিছানার নিচে তাবিজ রেখে গিয়েছে আর এই ঘটনা যদি কোনোভাবে লিক হয়ে যায় তবে তাঁর আর রক্ষে নেই। হৃৎপিন্ডের ধুকপুকানিকে সঙ্গী করে সে যখন দরজার এপাশ থেকে বাহিরে দৃষ্টি নিক্ষেপ করে তখন কাউকেই সে দেখতে পায়না। মনের মধ্যে প্রবল ভয় আর সন্দেহকে পুঁজি করেই সে ধীরপায়ে শাশুরীর রুম থেকে বের হয়ে নিজের রুমে পাড়ি জমায়। এখনও তাঁর ভয়ের রেশটা যেন একটুও কমছে না তবুও মনকে হাজারো সান্ত্বনা দিতে সে ভাবে হয়তো ওটা চোখের ভুল ছিলো।

.
মিরার শাশুরী একজন অমায়িক এবং স্বল্পভাষী মানুষ। একজন প্রকৃত শাশুরীর উদাহরণ যদি দিতে হয় তবে তাঁর শাশুরীর নামটা সবার উর্ধ্বেই থাকবে বটে। কিন্তু এতোকিছু সত্ত্বেও মিরা তাঁর শাশুরীকে বশে আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কারণ গত তিনমাস যাবৎ মিরার দেবর মেহেদি বিয়ে করার পর থেকে তাঁর কেন যেন মনে হচ্ছে মেহেদির নতুন বউ অর্থাৎ রাইসার প্রতি তাঁর শাশুরী একটু বেশিই ঝুঁকে পরেছে। অথচ রাইসা এই বাড়িতে আসার আগে মিরার শাশুরী সায়েরা বেগম যেকোনো ক্ষুদ্র কাজেও তাঁর শরণাপন্ন হতেন কিন্তু এখন অধিকাংশ কাজেই তিনি মিরাকে বাদ দিয়ে রাইসার কাছেই চলে যান। দিনকে দিন এসব দৃশ্য দেখতে দেখতে মিরার মনে এক প্রচন্ড ঈর্ষার জন্ম নেয়। 
 
অজস্র ভাবনা চিন্তার পর অবশেষে গত দুদিন আগে মিরা ফোন দিয়ে ওর মায়ের কাছে শাশুরীর বিষয়টা খুলে বলে। মিরার পরিবার সেই জন্মলগ্ন থেকেই তাবিজ কবজের প্রতি আলাদা একটি বিশ্বাস রাখেন। এমনকি মিরার বড় তিন ভাইয়ের জন্মের পর মিরার মা এক কবিরাজের নিকট থেকে তাবিজ নিয়েছিলেন যাতে তিনি শেষবারে কন্যা সন্তানের জননী হতে পারেন। প্রভুর কল্যাণে যখন তিন ছেলের পর তাঁর কোলজুড়ে মিরা আসে তখন সে মিরাকে পাওয়ার উসীলা হিসেবে তাবিজকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছিলেন আর সেই থেকে তাবিজ কবজের প্রতি তাঁর বিশ্বাসের মনোবলটাও বেশ দৃঢ় হয়ে যায়। মিরার মুখে যখন তিনি শুনতে পান যে ওর শাশুরী ছোট বউয়ের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে তখন তিনি একবাক্যে মিরাকে বলে উঠেন,
 
-তোর শাশুরীকে পুনরায় তোর হাতের মুঠোয় ফিরিয়ে আনার এখন একটাই উপায় অবশিষ্ট আছে আর তা হলো তাবিজ।
মিরা তখন বেশ উৎসুক কন্ঠে জিজ্ঞেস করেছিলো,
-কিন্তু মা এমন তাবিজ পাবো কোথায়?
 
-তুই একদম চিন্তা করিস না। আমাদের দুই তিনগ্রাম পরেই একজন কবিরাজ বাবা থাকেন। তিনি এই পর্যন্ত যেই কয়জনকে তাবিজ দিয়েছেন একটাও বিফলে যায়নি। তুই জামাইকে বলে আজই এখানে চলে আয়। সব ব্যবস্থা আমি করে দিবো।
 
অতঃপর সেদিন মিরা তাঁর স্বামী মুনিমকে নয়ছয় বুঝিয়ে বাপের বাড়িতে পাড়ি জমায় এবং অবশেষে ওর মায়ের সহায়তায় তাবিজখানা খুব দ্রুতই সে সংগ্রহ করে ফেলে। ফিরে আসার সময় জটাধারী কবিরাজ মিরাকে বেশ স্পষ্ট স্বরে বলে দিয়েছিলো,
 
-তাবিজটা ঠিক সূর্য অস্ত যাবার সময় তোর শাশুরীর বিছানার নিচে রেখে দিবি নয়তো এই তাবিজ কাজ করবে না।
 
কবিরাজের কথামতোই মিরা তাবিজটি কাঙ্ক্ষিত সময়ে ওর শাশুরীর বিছানার নিচে রেখে আসে। এই মুহূর্তে ওর ভয় করলেও মনে মনে ও ঠিকই খুশি।
.
পরদিন হঠাৎই মিরার শাশুরী সায়েরা বেগমের প্রচন্ড বমি হতে শুরু করে আর একপর্যায়ে বমির সাথে রক্তও বের হতে থাকে। শাশুরীর এমন অসুস্থতা দেখে পুরো বাড়ি জুড়েই এক তুলকালাম কান্ড বয়ে যায়। ছোট বউ রাইসা কাজের মেয়ে সালমা সহ অনেকটা হন্তদন্ত হয়েই শাশুরীর বমি থামানোর জন্য প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বমি থামানোর জন্য বিভিন্ন ঔষধ খাওয়ালেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না উল্টো সায়েরা বেগমের অবস্থা ক্রমেই বেগতিক হচ্ছে। শাশুরীর এমন মুমূর্ষু অবস্থা দেখে মিরার মনে এক অজানা ভয় জেগে ওঠে। 
 
সে শাশুরীর যত্ন করার সুযোগই যেন পাচ্ছে না কারণ মিরা যখন সায়েরা বেগমকে সুস্থ করার জন্য কোনোকিছু এগিয়ে দিতে যাবে তার আগেই ছোটবউ রাইসা সেটা শাশুরীর সামনে হাজির করছে। এসব দৃশ্য পরিলক্ষণ করে মিরার মনে ভয়ের পাশাপাশি এক প্রকট হিংসারও জন্ম নিতে থাকে। তবুও সে ভাবছে এখন এতো হিংসা করে লাভ নেই কারণ এইমুহূর্তে শাশুরীকে বাঁচানোটাই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য।
 
মিরা আর একমুহূর্ত দেরী না করে তাঁর স্বামী মুনিমকে কল দিয়ে জানায় তাঁর মায়ের অবস্থা অকস্মাৎ খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে, যতদ্রুত সম্ভব সে যেন তাঁর ছোট ভাইকে নিয়ে এখনি বাড়িতে চলে আসে। মুনিম এই কথা শোনামাত্র আর একমুহূর্ত দেরী করেনি বাড়ির দিকে রওয়ানা দিতে।
 
মূলত মুনিম আর মেহেদী দুই ভাই একসাথেই গঞ্জের বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করে। আর এটা তাঁদের বাবা মৃত্যুর আগেই তাঁদেরকে এই ব্যবসার হাল ধরার জন্য বলে গিয়েছিলেন।
 
দুই ভাই বাড়ির উঠোনে প্রবেশ করা মাত্রই ঘরের ভিতর থেকে কান্নার আওয়াজ শুনে মুহূর্তেই তাঁদের হৃদকম্পন বর্গহারে বাড়তে থাকে। যতই ঘরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কান্নার তীব্রতা ততই যেন তাঁদের মধ্যকর্ণে আঘাত করছে। ডাইনিং রুমে প্রবেশ করা মাত্রই মায়ের নিস্তেজ দেহটা সেখানে শুয়ে থাকতে দেখে মুহূর্তেই দুই ভাই মনোবল হারিয়ে ভেঙ্গে পরে। আস্তে আস্তে পাড়াপ্রতিবেশীরা মিরার শাশুরীর নিথর দেহ দেখার জন্য ভীর জমায়। কেউ কেউ সায়েরা বেগমের মৃত চেহারাখানি দেখে কষ্ট লোপণ করে আবার কেউবা আফসোসের স্বরে বলে ওঠে,
 
-আহা! উনি খুব ভালো মানুষ ছিলো। আল্লাহ বোধহয় ভালোমানুষগুলোকে এভাবেই অকালে তাঁর কাছে নিয়ে যান।
 
এর মাঝে হঠাৎই মুনিমের বড় ভাই মিরাজ মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে তাঁর স্ত্রী সন্তানসহ সুদূর ঢাকা থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। মিরাজ ছোটবেলা থেকেই নিজে থেকে কিছু করার মানসিকতা নিয়ে বড় হয় তাই সে ছোটভাইদের মতো বাবার ব্যবসার হাল না ধরে শহরে চলে আসে। আর আজ সে নিজেই সফল একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ীও বটে। মিরাজ বাড়িতে আসার পর থেকে সকল আত্মীয়স্বজন এবং পাড়াপ্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে সায়েরা বেগমের দাফন কাফন সম্পন্ন হয়।
.
রাতে সবাই গোলটেবিল বৈঠকে মায়ের মৃত্যুর কারণ জানার জন্য আলোচনা করছে। কেউই বুঝতে পারছে না হঠাৎ করে কেনইবা সায়েরা বেগমের এভাবে রক্তবমি শুরু হলো? এসব দৃশ্য যেহেতু কাজের মেয়ে সালমাসহ দুই বউ চাক্ষুষ দেখেছে তাই মিরাজ প্রথমেই সালমাকে জিজ্ঞেস করে,
-তুমি কি বলতে পারো হঠাৎ করে মা কেনো এভাবে অসুস্থ হলো?
 
সালমা এই কথার উত্তর দেওয়ার সময় বেশ কিছুক্ষণ নিজের দৃষ্টিটা মিরার উপর রাখে। আর এই বিষয়টা উপস্থিত সবাই বেশ ভালোভাবেই খেয়াল করায় মিরার চোখেমুখে এক চরম অস্বস্তি বিরাজ করে। সে মনের মধ্যে অজস্র ভয় পুঁজি করে ভাবছে,
 
-তাহলে কি সেদিন তাবিজ দেওয়ার সময় আড়াল থেকে সালমাই তাকে দেখে ফেলেছিলো? কিন্তু সেতো কখনোই শাশুরীর কোনো অকল্যাণের জন্য তাবিজটি দেয়নি বরং সে চেয়েছিলো সায়েরা বেগম যেন তাকেই বেশি প্রাধান্য দেয় এবং তাকেই বেশি ভালোবাসে। তাবিজের কথাটি যদি সালমা বলেই ফেলে তাহলেতো কেউই তাঁর কথা বিশ্বাস করবেনা উল্টো সালমার কথা শুনে সবাই ভাববে সে শাশুরীকে মেরে ফেলার জন্যই একাজ করেছে।
নীরবতা ভেঙ্গে কাজের মেয়ে সালমা বলে ওঠে,
 
-আমিতো সেইরকম কিছু কইতে পারমুনা তয় মিরা আপা আর রাইসা আপা ভালো কইতে পারবো।
সালমার মুখে এই কথা শুনে মিরার মনে হলো তাঁর বুকের উপর থেকে কেউ বোধহয় কোনো ভারীর জিনিস উত্তোলন করে বুকটাকে হালকা হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। অতঃপর রাইসাকে এব্যপারে কিছু জিজ্ঞেস করা হলে সে বলে,
 
-আমি এব্যপারে তেমন কিছু জানিনা, আজ সকাল দশটার দিকে যখন আমি গোসল করতে যাবো ঠিক তখনি মায়ের রুম থেকে চিৎকার শুনে ছুটে যাই। আর গিয়েই দেখি তিনি অনেক বমি করছেন একপর্যায়ে বমির সাথে রক্তও বের হয়ে আসে। আমার মনে হয় হয়তো এটা লিভার জনিত কোনো সমস্যা।
 
ছোট বউয়ের এমন স্পষ্ট স্বরে কথা শুনে সকলে বেশ অবাক হলেও সকলেই ধরে নেয় হয়তো এটা তেমন কিছুই হবে। এদিকে মিরাকে কিছু জিজ্ঞেস না করাতে সে অনেকটা যেন বেঁচেই যায়।
.
মিরা তাঁর মাকে ফোন দিয়ে যখন শাশুরীর পুরো মৃত্যুর ঘটনাটি খুলে বলে তখন তাঁর মা বেশ চিন্তিত গলায় বলে ওঠে,
 
-এমন ভুলতো হওয়ার কথা না। আর কবিরাজ কেনইবা তোকে উল্টাপাল্টা তাবিজ দিবে। আর তাবিজের কারণেই যে ওনার মৃত্যু হয়েছে এমনওতো কোনো প্রমাণ নেই। তুই আপাতত বিষয়টিকে একেবারের জন্য মাটিচাপা দিয়ে দে। যেটা হয়ে গেছে সেটার জন্য আর অনুশোচনা করে কাজ নেই।
-হুম মা! কিন্তু আমার শাশুরী অনেক ভালো ছিলো। আমার কেন যেন মনে হয় ঐ তাবিজের কারণেই তাঁর এমন অবস্থা হয়েছে।
 
-ধুর! আচ্ছা তোর মনে যদি এতোই সন্দেহ থাকে তাহলে তুই তাবিজটা নিয়ে আবার এখানে চলে আয়। কবিরাজের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করবো যে উনি ভুল তাবিজ দিয়েছিলেন কিনা?
-আচ্ছা ঠিক আছে মা!
.
গভীর রাতে যখন সবাই ঘুমিয়ে পরেছে ঠিক তখনি অনেকটা ধীরপায়ে মিরা নিজের বিছানা ছেড়ে আস্তে করে ঘর থেকে বেড়িয়ে আসে। শাশুরীর রুমের দিকে যখনই সে আগাবে ঠিক তখনি সে একটি আবছায়া শাশুরীর রুম থেকে বের হতে দেখে মুহূর্তেই নিজেকে দরজার আড়ালে লুকিয়ে নেয়। আবছায়াটিকে একটু ভালোভাবে খেয়াল করতেই দেখে এটা আর কেউ নয় বরং কাজের মেয়ে সালমা। কিন্তু ওর ঐ রুমে কি কাজ থাকতে পারে সেটা সে ভেবে পায়না। সালমা বের হওয়ার ঠিক পরপরই অজস্র সন্দেহকে পুঁজি করে সে সায়েরা বেগমের রুমে প্রবেশ করে। আস্তে আস্তে তাঁর বিছানার দিকে এগিয়ে গিয়ে বিছানাটা উঠাতেই সে চমকে উঠে। 
 
কারণ এখানে সে যেই তাবিজটা রেখে গিয়েছিলো সেটা নেই বরং আরেকটি বড়সড় তাবিজ জাতীয় কিছু একটা সেখানেই পরে আছে। কিন্তু এই তাবিজতো সে কোনোকালেই এখানে রাখেনি তবে কে রাখলো এই তাবিজ? নাকি তাঁর তাবিজটাই অলৌকিক কোনো শক্তির রেশ ধরে এই রূপ ধারণ করেছে? আসলেই কি এটি অলৌকিক কোনোকিছু? প্রশ্নটা থেকেই যায়...
.
(To Be Continued) ---------------

..
গল্পটি বেশ পুরোনো এবং আলোচিত একটি গল্প।

Next Post Previous Post